মেনু নির্বাচন করুন
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিস, বটিযাঘাটা, খুলনা।   

   ফোন --০৪০২২-৫৬০২৮

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

ক. মৎস্য ও চিংড়ি চাষী এবং উদ্যোক্তাদের উন্নত প্রযুক্তি ভিত্তিক মাছ ও চিংড়ি চাষের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
খ. মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে সমাজ ভিত্তিক মৎস্য চাষ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন।
গ. মৎস্য ও চিংড়ি চাষ উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পের কারিগরি উপযোগিতা যাচাই ও প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়নে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে উদ্যোক্তা ও মৎস্য চাষীকে ঋণ প্রাপ্তিতে সহায়তা প্রদান।
ঘ. উন্নত জাতের পোনাসহ মাছ ও চিংড়ি চাষের বিভিন্ন উৎপাদন উপকরন সংগ্রহ ও সরবরাহে সহযোগিতা প্রদান।
ঙ. উপজেলাধীন মৎস্য সম্পদের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরন।
চ. মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়ন।
ছ. মৎস্য মান নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা কার্যকর করার লক্ষেমাছ ও চিংড়ি চাষে অননুমোদিত দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধে চাষীদের উদ্ধুদ্ধকরন এবং সংক্রমনের উৎস সনাক্তকরন ও হ্যাসাপ(HACCP)কার্যক্রম বাস্তবায়ন।
জ. আহরন উত্তর মাছ ও চিংড়ি অবতরন কেন্দ্র/ডিপো পরিদর্শণ এবং সেগুলোর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় উদ্ধুদ্ধকরন।
ঝ. জনগনকে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে মাছ চাষে উদ্ধুদ্ধকরার নিমিত্তে নতুন প্রযুক্তি হাতে-কলমে প্রদর্শনের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদের তহবিলের সাহায্যে প্রদর্শনী মৎস্য খামার স্থাপন।
ঞ. মৎস্য ও চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিভিন্ন সম্প্রসারণ সামগ্রী মৎস্য চাষী/মৎস্যজীবিদের মধ্যে বিতরন।
সেবা প্রদানকারী কর্মচারীদের পদবী
১। সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা
২। ক্ষেত্র সহকারী
যথাসময়ে সেবা পাওয়া না গেলে যার সহায়তা চাইবেন
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, বটিযাঘাটা, খুলনা। ফোন -০৪০২২৫৬০২৮

চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হলে বা সময় মত সহায়তা পাওয়া না গেলে যার কাছে অভিযোগ করবেন
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, খুলনা। ফোন -০৪১৭৬৩০১৬

 

 

এই সব সমস্য সমাধানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ,বটিয়াঘাটা, খুলনার - এর সাথে যোগাযোগ করুন

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ মশিউর রহমান ০১৭১২৭৩৯০২৩

ছবি নাম মোবাইল

ছবি নাম মোবাইল
এস এম আসলাম হোসেন
মফিজ

১।  এনএটিপি

 

 

 

২। ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্প্রসারণ সেবা প্রকল্পঃ
# নির্বাচিত মৎস্যচাষীদের প্রশিক্ষণ প্রদান
# প্রদর্শনী খামার স্থাপন ও পরিচালনা
# প্রতি ইউনিয়নে ১ জন করে স্থানীয় মৎস্য কর্মী নিয়োগ

 

বর্ন্যা পরবতী সময়ে চাষির করণীয় কি হতে পারে?

পুকুর প্রস্তুতির সকল নিয়ম পালন পূর্বক পুকুরে পুণ: পোনা মজুদ করতে হবে।

রাসায়নিক কীটনাশক পরিহার করে ধান ক্ষেতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধান ক্ষেতে আলোক ফাঁদ ও কঞ্চি স্থাপন করতে হবে। শতাংশ প্রতি কমন কার্প-১০টি ও নালোটিকা-১০টি  মোট ২০টি পোনা মজুদ করা যেতে পারে।

৭.৫-৮.৫

প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করা উচিত

প্রতি শতাংশে ১৫০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করা উচিত

দো-আঁশ মাটি

পুকুর প্রস্তুতির সকল নিয়ম পালন পূর্বক পুকুরে পুণ: পোনা মজুদ করতে হবে।

 বর্তমানে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে চাষিগণ নিজেরাই বাড়িতে গুণগতমানসম্পন্ন পিলেট খাদ্য তৈরি করে থাকেন। প্রতিদিন ১টন খাদ্য তৈরি করতে পারে এমন পিলেট মেশিনের দাম ২০- ২৫ হাজার টাকার মত। খাদ্যের মিশ্রণ হিসেবে খৈল, কুড়া, ভূঁসি, মিনারেল ও চেওয়া শুটকির গুড়া ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চেওয়া শুটকি চট্রগ্রাম থেকে কিনে আটার মেশিনে গুড়া করে নিতে হবে। এরপর পিলেট খাদ্য তৈরি করতে হবে। এইভাবে প্রস্তুতকৃত খাদ্য গুণগতমানসম্পন্ন হয়।

একজন নতুন চাষির ক্ষেত্রে কার্প জাতীয় মাছের চাষ / তেলাপিয়ার একক চাষ করা অধিক যুক্তিযুক্ত। এতে লোকসানের সম্ভবনা নেই।

নমুনা সংগ্রহের মাধ্যমে মাছের মজুদ নির্ণয় করে পুকুরের মাছের দেহের ওজনের ৩-১০% বিভিন্ন প্রজাতি ও মাছের আকারের উপর নির্ভর করে খাদ্য প্রদান করতে হবে।

আহরণের পর মাছ ও পাত্রটি পরিস্কার করে বরফ মিশ্রিত  করে রাখতে হবে যাতে মাছের গুণগতমান নষ্ট না হয়, এরপর মাছের পাত্রটি ছায়াযুক্ত স্থানে রাখতে হবে, যত  দ্রুত সম্ভব বাজারজাত করণের ব্যবস্থা নিতে হবে। যে সকল মাছ জীবিত অবস্থায় বাজারজাত করতে হয় সে সকল মাছ ধরার পূর্বে পানিপূর্ণ ড্রামসহ গাড়ী ও মাছ ধরার জন্য জেলে ঠিক রাখতে হবে যাতে দ্রুততম সময়ে বাজারজাত করা যায়।

নার্সারী পুকুরে জু-প্লাংটন বেশি থাকা ভাল, কারণ সকল প্রজাতির মাছের পোনা ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত শুধু জু-প্লাংটন খায়।

পানিতে জু-প্লাংটন বেশি হলে পানির রং বাদামী সবুজ হয়ে থাকে।

কোন পুকুরে একটি প্রজাতির মাছ চাষকে  MonoCultureবলা হয়।

 

পুকুরের যে পরিমাণ মাছ মজুদ করা হয়েছে (প্রত্যেক প্রজাতি হতে) তার কমপক্ষে ১০% মাছ বের জাল দ্ধারা ধরে ওজন করে প্রত্যেক প্রজাতির মাছের গড় ওজন নির্ণয় করতে হবে। মজুদকৃত মাছের ৯০% জীবিত ধরে প্রত্যেক প্রজাতির মাছের মোট সংখ্যার সাথে গড় ওজন গুণ করে মাছের প্রজাতি ভিত্তিক মাছের ওজন বের করতে হবে। এইভাবে প্রত্যেক প্রজাতির মাছের ওজন বের করে সকল প্রজাতির মাছের ওজন যোগ করে মাছের মোট ওজন নির্ণয় করা যায়।

উপজেলা মৎস্য দপ্তরে যোগাযোগের মাধ্যমে পানির হার্ডনেস পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। তবে নিয়মিত ভাবে মাছকে সম্পুরক খাদ্য প্রয়োগ করতে হবে।

শেষ রাতের দিকে পানিতে অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে পুকুরের সমস্ত মাছ মারা যেতে পারে।

শীতের শুরুতে মাছ ধরে ফেলতে হবে, মাছের ঘনত্ব কমাতে হবে; প্রতি শতকে  ১ কেজি হারে চুন দিতে হবে।

স্থানীয় মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। এ ছাড়াও মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন মাছ চাষে পরামর্শ Linkএ বিভিন্ন রকমের মাছের চাষ ও প্রাক্কলন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরির ব্যবস্থা আছে। এ সুবিধা গ্রহণ করা যেতে পারে। মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েব ঠিকানা www.fisheries.gov.bd

স্থানীয় মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মীর সহায়তা নেয়া যেতে পারে। এছাড়াও এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন মাছ চাষে পরামর্শ Link এ বিভিন্ন রকমের মাছের রোগ ও প্রতিকারের উপায় দেয়া আছে। এ সুবিধা গ্রহণ করা যেতে পারে। মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েব ঠিকানা www.fisheries.gov.bd

সিলভার কার্পের মজুদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে। তবে সবুজ স্তর তুলে ফেলাই উত্তম।

ফেরিওয়ালাদের সহিত যোগাযোগ বাড়াতে হবে । উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে যাতে কোন চাষির পোনার প্রয়োজন হলে নার্সারীর ঠিকানা মৎস্য অফিস থেকে চাষিগণকে দিতে পারে । পোনাকে অধিক ঘনত্বে রাখার পর পরের  বছর (Over wintering) পোনা মাছ বিক্রির ক্ষেত্রে ভাল মূল্য পাওয়া যাবে।

 

এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে মূল আইন ও বিধিমালা প্রকাশ করা হয়েছে, ওয়েবসাইট থেকে ডাউন লোড করা যেতে পারে। মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েব ঠিকানা www.fisheries.gov.bd, এছাড়াও জেলা ও উপজেলা মৎস্য অফিস থেকেই এ বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে মূল আইন ও বিধিমালা প্রকাশ করা হয়েছে, ওয়েবসাইট থেকে ডাউন লোড করা যেতে পারে। মrস্য অধিদপ্তরের ওয়েব ঠিকানা www.fisheries.gov.bd, এছাড়াও জেলা ও উপজেলা মrস্য অফিস থেকেই এ বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।

বিল-নার্সারী/মুক্তজলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তির সময় উপজেলা মৎস্য অফিস পোনা ক্রয়ের জন্য টেন্ডার আহবান করে থাকে। ঐ সময়ে চাষি টেন্ডারে অংশ গ্রহণ করতে পারে।

প্রতি শতাংশে ২ ধাপ পদ্ধতিতে ৪০-৫০ গ্রাম হারে রেণু মজুদ করা যেতে পারে। এই পদ্ধতিতে ১০দিন পর কাটাই করে চারা পুকুরে ধানী স্থানান্তর করতে হবে।

১ম সপ্তাহে মজুদকৃত রেণুর ওজনের ২গুণ; ২য় সপ্তাহে মজুদকৃত রেণু ওজনের ৩গুণ; ৩য় সপ্তাহ পর কাটাব করে কাটাই পুকুরে  মজুদকৃত পোনার ওজনের  ৫-৮% হারে খাবার প্রদান করতে হবে

থানায় জিডি করা যেতে পারে। থানার পরামর্শ অনুসারে মাছ, পানি, কাদার নমূনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে থানা ব্যবস্থা নিতে পারে।

উপজেলা মৎস্য অফিসে পানির পিএইচ পরীক্ষা করার ব্যবস্থা আছে। চাষি উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে পিএইচ মাপতে পারে, এ ছাড়াও পিএইচ মিটার বা পিএইচ পেপার নিজে কিনেও নির্ণয় করা পারে।

কার্প জাতীয় মাছের ১০০০-১৫০০ টি ধানি পোনা / শতকে মজুদ করা যাবে।

মাছের খাবারের অভাবে এমন হতে পারে, এ ক্ষেত্রে সম্পুরক খাদ্য দেহ ওজনের ৩-৫% হারে পুকুরে দৈনিক নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট স্থানে সুষম সম্পুরক খাবার প্রয়োগ করতে হবে।

গভীর/অগভীর নলকূপের মাধ্যমে পানির গভীরতা বাড়াতে হবে, তবে  পানির গভীরতা না কমার জন্য বেশী পরিমাণের জৈব সার ব্যববহার করে পানির ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে হবে।

হ্যাঁ, এটা ক্ষতিকর। খাদ্য ও সার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে। জৈবিকভাবে সিলভার মাছ ছেড়ে দমন করা যায়।

বেশি পরিমানে কম্পোস্ট সার ব্যবহার অথবা দোঁয়াশ মাটির স্তর দেওয়া যেতে পারে ।

অতিরিক্ত শামুক ক্ষতিকর, শামুক মাছের সাথে খাদ্যের প্রতিযোগিতা করে। পুকুর সংস্কার করে শামুক দমন করা যেতে পারে, পুকুরে ব্লাক কার্প মজুদ করেও শামুক দমন করা যায়।

জাল টেনে প্রতি ঘন মিটার পানির জন্য ১.০ গ্রাম হারে তুঁতে প্রয়োগ করে মাছের সাদা দাগ রোগ দুর করা যায়।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়,বটিযাঘাটা, খুলনা ।

 

যোগাযোগ: sufobatiaghata@yahoo.com

 

বাংলাদেশের মৎস্য কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন  http://www.fisheries.gov.bd



Share with :

Facebook Twitter